বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মৌলবাদীদের হামলায় নিষ্পাপ আপিপা আক্তার অপি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেপল্লী মঙ্গল স্কুলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিতচাটখিল উপজেলা সোসাইটি ইউএসএ ইনক এর পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি প্রকাশঃ-চাটখিলের বাদুলী জামে মসজিদের নুতন কমিটি গঠনআদিলের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভছাত্রলীগ নিষিদ্ধের খবরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে নোয়াখালীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ   ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’: হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ যোগাযোগ বন্ধআওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও আদালতে আওয়ামীলীগের শ্লোগানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও কোর্ট পি.পির কক্ষে তালা  ২ দিনের রিমান্ডে সাবেক এমপি একরামুলনোয়াখালীতে আদালত প্রাঙ্গণে আ.লীগ নেতাকর্মিদের স্লোগান

ভোক্তা অধিকারের অভিযান,পালাল তরমুজ ব্যবসায়ীরা

আপডেটঃ : রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪ পাঠক: ৩,৩০৩

স্টাফ রিপোর্টার-
নোয়াখালী জেলা শহর রমজানে বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে পৌর বাজারে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় অভিযানের খবরে পালিয়ে যায় বাজারের বেশির ভাগ ফল ও তরমুজ ব্যবসায়ী।

শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত মাইজদী পৌর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া।

অভিযানকালে মূল্য তালিকা না থাকা, তালিকা আপডেট না করা ও অতিরিক্ত মূল্যে ফল বিক্রি করার অপরাধে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অভিযানে সহযোগিতা করেন, জেলা স্যানেটারি কর্মকর্তা শওকত আলী ও সুধারাম মডেল থানা পুলিশ।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ও রমজানে বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে মাইজদী পৌর বাজারে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এসময় মূল্য তালিকা না থাকা, তালিকা হালনাগাদ না করা ও অতিরিক্ত মূল্যে আপেল, কমলা, খেজুর, আঙ্গুর বিক্রি করার অপরাধে বাহার ফল বিতানকে তিন হাজার, ইসমাইল ফল বিতানকে দুই হাজার ও পূর্ণিমা এন্টারপ্রাইজকে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

কিছু দোকানে অনিয়মের কারণে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়েছে এমন খবর বাজারে ছড়িয়ে পড়লে বাজারের বেশিরভাগ ফল ও তরমুজ ব্যবসায়ী তাদের দোকান রেখে পালিয়ে যান। ভোক্তা অধিকারের ভ্রাম্যমাণ আদালত সেই দোকানগুলোতে গিয়ে দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকলেও কোনে মালিককে না পেয়ে ফিরে যান।

খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, তাদের বিরুদ্ধে অভিযানের পাশাপাশি যারা আড়ৎদার এবং পাইকার রয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো দরকার। কম দামে ক্রয় করতে পারলে কম দামে খুচরা ব্যবসায়ীরা বিক্রি করতে পারবেন। বড় বড় সিন্ডেকেট না ভেঙে লোক দেখানো এ অভিযান করে বাজারে স্বস্তি ফেরানো সম্ভব না বলেও মনে করছেন অনেকে।

মাইজদী পৌর বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জুলফিকার বলেন, অনেকদিন পর অভিযান হওয়ার কারণে ভয়ে ফল ব্যবসায়ীরা দোকান রেখে পালিয়ে গেছেন। তারা যেন আগামীতে এমন কাজ না করেন সে বিষয়ে বুঝানো হবে। সকল ব্যবসায়ীকে মূল্য তালিকা রেখে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আমাদের সমিতি থেকে অনুরোধ করা হবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, অভিযানকালে তিনজন ফল বিক্রেতার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের অর্থদণ্ড করা হয়েছে। একইসঙ্গে অন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আগামীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পাঠক: ৩,৩০৩
আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ