বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মৌলবাদীদের হামলায় নিষ্পাপ আপিপা আক্তার অপি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেপল্লী মঙ্গল স্কুলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিতচাটখিল উপজেলা সোসাইটি ইউএসএ ইনক এর পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটি প্রকাশঃ-চাটখিলের বাদুলী জামে মসজিদের নুতন কমিটি গঠনআদিলের ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভছাত্রলীগ নিষিদ্ধের খবরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে নোয়াখালীতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ   ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’: হাতিয়ার সঙ্গে সারা দেশের নৌ যোগাযোগ বন্ধআওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ ও আদালতে আওয়ামীলীগের শ্লোগানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও কোর্ট পি.পির কক্ষে তালা  ২ দিনের রিমান্ডে সাবেক এমপি একরামুলনোয়াখালীতে আদালত প্রাঙ্গণে আ.লীগ নেতাকর্মিদের স্লোগান

ডাকাতি করতে এসে র‌্যাবের হাতে ধরা

আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪ পাঠক: ৬,২১০

স্টাফ রিপোর্টার-
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দারসহ ৬ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১১)। এসময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করা হয়।

বুধবার (১৫ মে) ভোরে সোনাপুর জিরো পয়েন্ট ও ধর্মপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মালেক মাঝির বাড়ির মোবারকের টিনশেড ঘর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, ধর্মপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ভাটির টেক গ্রামের আজাদের বাড়ির মো. ইসমাইলের ছেলে ডাকাত সর্দার মো. ইব্রাহিম (৩৫), মোবারক হোসেনের ছেলে মো. সোহাগ (২৬), ধর্মপুর গ্রামের মৃত জাফর হোসেনের ছেলে আমির হোসেন (৩০), মানিকের ছেলে নবীর হোসেন (২২), মৃত আব্দুল রশিদের ছেলে মোবারক হোসেন (৪৫) ও চট্রগ্রামের মিরসরাইয়ের মজিবুল হকের ছেলে মোহাম্মদ সেলিম (৩৫)।

র‌্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সাথে যুক্ত। তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় দেশীয় অস্ত্রসহ একত্রিত হয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি করে আসছে। এর আগে তারা চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও নোয়াখালীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। বুধবার ভোরে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে তারা আবার নোয়াখালীতে আসে।

বুধবার (১৫ মে) ভোরে সোনাপুর জিরো পয়েন্ট ও ধর্মপুর ইউনিয়নের ০৫নং ওয়ার্ডের মালেক মাঝির বাড়ির মোবারকের টিনশেড ঘর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি কিরিচ, একটি রামদা, একটি তালা কাটার যন্ত্র ও একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জেলায় জেলায় ডাকাতি করা তাদের নেশা। আমরা তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছি। আসামিরা স্বীকার করেছে, তারা ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের নামে বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা আছে। সুধারাম থানার মাধ্যমে তাদের আজ (১৬ মে)চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠান।

পাঠক: ৬,২১০
আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ